বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বলেন, “সবাই মিলে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলব, যা একজন মা দেখলে সন্তুষ্ট হবেন। অর্থাৎ আমরা একটি নিরাপদ দেশ গড়তে চাই, যেখানে একজন মানুষ নিরাপদে ঘর থেকে বের হতে পারবে এবং আবার নিরাপদে ফিরে আসতে পারবে।”
বিকেলে ৩০০ ফিট সড়কের গণসংবর্ধনা মঞ্চে এই বক্তব্য দেন তিনি। দুপুর পৌনে চারটার দিকে লালসবুজ রঙে সজ্জিত বিশেষ একটি বাসে করে সমাবেশস্থলে পৌঁছান তারেক রহমান। বিমানবন্দর থেকে রওনা হওয়ার প্রায় চার ঘণ্টা পর তিনি গণসংবর্ধনাস্থলে উপস্থিত হন, যেখানে বিপুল সংখ্যক বিএনপি নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে তারেক রহমানকে বহনকারী উড়োজাহাজ সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। কিছু সময় যাত্রাবিরতি নিয়ে বেলা ১১টা ১২ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন। তার সঙ্গে আছেন স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান ও কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।
বিমানবন্দর থেকে তিনি লাল-সবুজ রঙে সজ্জিত বুলেটপ্রুফ বাসে করে এভারকেয়ার হাসপাতাল যাবেন। বাসটির পাশে প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান, চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের প্রতিকৃতি এবং ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগান সংযুক্ত রয়েছে। পথে তিনি সংক্ষিপ্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। এরপর গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাসে মা খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করবেন।
২০০৭ সালে ১/১১ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় গ্রেপ্তার হওয়ার পর এক বছর কারাভোগের পর ২০০৮ সালে মুক্তি পান তিনি। এরপর চিকিৎসার জন্য স্ত্রী ও কন্যাকে সঙ্গে নিয়ে লন্ডনে যান এবং দীর্ঘ ১৭ বছর নির্বাসিত জীবন কাটান। দেশে ফিরে প্রথমবারের মতো তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, “দীর্ঘ ৬,৩১৪ দিন পর বাংলাদেশের আকাশে!”
