পর্তুগালে প্রস্তাবিত শ্রম আইন সংস্কারের বিরুদ্ধে এক দশকের বেশি সময় পর প্রথম সাধারণ ধর্মঘট অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দেশজুড়ে ট্রেন চলাচল বন্ধ, শতাধিক ফ্লাইট বাতিল এবং অনেক স্কুল বন্ধ ছিল। লিসবনে হাজারো শ্রমিক পার্লামেন্ট ভবনের সামনে বিক্ষোভ করে।
সরকার বলছে, শ্রম সংস্কার—যার মাধ্যমে শ্রম কোডের ১০০টিরও বেশি ধারা সংশোধন হবে—উৎপাদনশীলতা বাড়াতে ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে করা হচ্ছে। তবে শ্রমিক ইউনিয়নগুলো অভিযোগ করছে, এটি শ্রমিকদের অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত করবে এবং নিয়োগকারীদের ক্ষমতা বাড়াবে।
ধর্মঘটে কিছু সরকারি খাতের কর্মী অংশ নেন, তবে বেসরকারি খাতের শ্রমিকেরা মূলত কাজে যোগ দিয়েছেন। হাসপাতাল খোলা থাকলেও নার্সদের অংশগ্রহণে বহু অস্ত্রোপচার ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্থগিত হয়েছে।
প্রস্তাবিত সংস্কারে ছোট ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানে সহজ ‘জাস্ট–কজ’ ছাঁটাই, আউটসোর্সিং সীমা শিথিল এবং মাতাদের নমনীয় কর্মঘণ্টার সীমাবদ্ধতা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী লুইস মন্টেনেগ্রো বলছেন, সরকার “সংস্কার ও রূপান্তরের পথে অটল”।
