ঢাকা বুধবার ১৩ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৩০শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ২৫শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
প্রচ্ছদ সারাবিশ্ব মার্কিন নাগরিকদের বিরুদ্ধে কঠিন পদক্ষেপ নিল যে দেশ

মার্কিন নাগরিকদের বিরুদ্ধে কঠিন পদক্ষেপ নিল যে দেশ

ছবি: সংগৃহীত

দ্বিপাক্ষিক চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য নতুন করে ভিসা বন্ড (জামানত) বাধ্যতামূলক করেছে পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালি। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নীতির পাল্টা প্রতিক্রিয়া।

রোববার (১২ অক্টোবর) রাজধানী বামাকো থেকে প্রকাশিত এক সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র মালির নাগরিকদের ব্যবসা ও পর্যটন ভিসার ক্ষেত্রে ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার ডলার পর্যন্ত বন্ড জমা দেওয়ার যে শর্ত আরোপ করেছে, মালি একই নিয়ম আমেরিকান নাগরিকদের জন্যও প্রযোজ্য করবে।

মালি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের এই নতুন নিয়ম ২০০৫ সালে স্বাক্ষরিত দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদি ভিসা চুক্তির সরাসরি লঙ্ঘন। বিবৃতিতে বলা হয়, “আমরা সবসময় অবৈধ অভিবাসন রোধে সহযোগিতা করেছি, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপ একতরফা এবং অসম।”
‘পারস্পরিকতার নীতি’ অনুসারে, এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্টধারী যাত্রীদেরও মালিতে প্রবেশের সময় বন্ড জমা দিতে হবে। তাদের বন্ড ফেরত দেওয়া হবে কেবল তখনই, যদি তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশ ত্যাগ করেন। কেউ বেশি দিন অবস্থান করলে বা আশ্রয়ের আবেদন জানালে বন্ড বাজেয়াপ্ত হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের এই নতুন নীতির আওতায় মালি ছাড়াও আরও ছয়টি আফ্রিকান দেশ রয়েছে। ২৩ অক্টোবর থেকে চালু হতে যাওয়া এই পাইলট প্রকল্পে ভিসা আবেদনকারীদের অতিরিক্ত অর্থ দিতে হবে।

সমালোচকরা বলছেন, বন্ডের এই শর্ত যুক্তরাষ্ট্রের পর্যটন খাতকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে এবং বৈধ ভ্রমণকারীদের নিরুৎসাহিত করবে। এ সিদ্ধান্ত ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপের আগে যুক্তরাষ্ট্রে পর্যটন প্রবাহেও প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, এটি যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসনের কৌশলেরই ধারাবাহিকতা, যার মাধ্যমে আফ্রিকান দেশগুলোকে বহিষ্কৃত অভিবাসীদের পুনর্গ্রহণে চাপ দেওয়া হচ্ছে। কেউ কেউ যুক্তরাষ্ট্রের দাবিতে সাড়া দিয়েছে, আবার কেউ কেউ তা প্রত্যাখ্যান করায় শাস্তির মুখে পড়েছে।

উদাহরণ হিসেবে, বুরকিনা ফাসো যুক্তরাষ্ট্রের নির্দেশ মানতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের ওপর ভিসা সেবা স্থগিত করা হয়। অপরদিকে এসওয়াতিনি, ৫.১ মিলিয়ন ডলার সহায়তার বিনিময়ে ১৬০ জন বহিষ্কৃত অভিবাসীকে গ্রহণে সম্মত হয়। ঘানা, রুয়ান্ডা ও উগান্ডাও এর আগেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অনুরূপ চুক্তিতে গিয়েছে।

মালির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, “আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ফলপ্রসূ সম্পর্ক বজায় রাখতে চাই, কিন্তু একতরফা নীতির জবাবে পারস্পরিক নিয়মই প্রয়োগ করতে বাধ্য হয়েছি।”

ছবি: সংগৃহীত

দ্বিপাক্ষিক চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য নতুন করে ভিসা বন্ড (জামানত) বাধ্যতামূলক করেছে পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালি। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নীতির পাল্টা প্রতিক্রিয়া।

রোববার (১২ অক্টোবর) রাজধানী বামাকো থেকে প্রকাশিত এক সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র মালির নাগরিকদের ব্যবসা ও পর্যটন ভিসার ক্ষেত্রে ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার ডলার পর্যন্ত বন্ড জমা দেওয়ার যে শর্ত আরোপ করেছে, মালি একই নিয়ম আমেরিকান নাগরিকদের জন্যও প্রযোজ্য করবে।

মালি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের এই নতুন নিয়ম ২০০৫ সালে স্বাক্ষরিত দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদি ভিসা চুক্তির সরাসরি লঙ্ঘন। বিবৃতিতে বলা হয়, “আমরা সবসময় অবৈধ অভিবাসন রোধে সহযোগিতা করেছি, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপ একতরফা এবং অসম।”
‘পারস্পরিকতার নীতি’ অনুসারে, এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্টধারী যাত্রীদেরও মালিতে প্রবেশের সময় বন্ড জমা দিতে হবে। তাদের বন্ড ফেরত দেওয়া হবে কেবল তখনই, যদি তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশ ত্যাগ করেন। কেউ বেশি দিন অবস্থান করলে বা আশ্রয়ের আবেদন জানালে বন্ড বাজেয়াপ্ত হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের এই নতুন নীতির আওতায় মালি ছাড়াও আরও ছয়টি আফ্রিকান দেশ রয়েছে। ২৩ অক্টোবর থেকে চালু হতে যাওয়া এই পাইলট প্রকল্পে ভিসা আবেদনকারীদের অতিরিক্ত অর্থ দিতে হবে।

সমালোচকরা বলছেন, বন্ডের এই শর্ত যুক্তরাষ্ট্রের পর্যটন খাতকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে এবং বৈধ ভ্রমণকারীদের নিরুৎসাহিত করবে। এ সিদ্ধান্ত ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপের আগে যুক্তরাষ্ট্রে পর্যটন প্রবাহেও প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, এটি যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসনের কৌশলেরই ধারাবাহিকতা, যার মাধ্যমে আফ্রিকান দেশগুলোকে বহিষ্কৃত অভিবাসীদের পুনর্গ্রহণে চাপ দেওয়া হচ্ছে। কেউ কেউ যুক্তরাষ্ট্রের দাবিতে সাড়া দিয়েছে, আবার কেউ কেউ তা প্রত্যাখ্যান করায় শাস্তির মুখে পড়েছে।

উদাহরণ হিসেবে, বুরকিনা ফাসো যুক্তরাষ্ট্রের নির্দেশ মানতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের ওপর ভিসা সেবা স্থগিত করা হয়। অপরদিকে এসওয়াতিনি, ৫.১ মিলিয়ন ডলার সহায়তার বিনিময়ে ১৬০ জন বহিষ্কৃত অভিবাসীকে গ্রহণে সম্মত হয়। ঘানা, রুয়ান্ডা ও উগান্ডাও এর আগেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অনুরূপ চুক্তিতে গিয়েছে।

মালির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, “আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ফলপ্রসূ সম্পর্ক বজায় রাখতে চাই, কিন্তু একতরফা নীতির জবাবে পারস্পরিক নিয়মই প্রয়োগ করতে বাধ্য হয়েছি।”

0 FacebookTwitterPinterestEmail

অনুসন্ধান

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম

ফেসবুকে আমরা

সম্পাদক ও প্রকাশক

মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান ভূঁইয়া (তুহিন)

নির্বাহী সম্পাদক

সোনিয়া রহমান

অফিসঃ

৪৯ মতিঝিল (৮ম তলা), শাপলা ভবন, শাপলা চত্বর, ঢাকা - ১০০০

ই-মেইলঃ

rightwayciezs@gmail.com

টেলিফোনঃ

+৮৮ ০১৭১২-৭৭৭ ৩৬৩

মার্কেটিংঃ

+৮৮ ০১৯৪৮- ৯০০ ৯১১

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব rightwaynews24.com কর্তৃক সংরক্ষিত