কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
কুড়িগ্রামে উলিপুরে পেয়ারা গাছের ডালের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁসিতে ঝুলে এক গৃহবধু আত্মহত্যা করেছেন।
ঘটনাটি ঘটেছে, মঙ্গলবার (১১ আগষ্ট) ভোর রাতে বাকারায় মধুপুর গ্রামে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ধরনীবাড়ি ইউনিয়নের বাকারায় মধুপুর গ্রামে শফিয়ার রহমানের মেয়ে শারমিন আক্তার (১৮) মঙ্গলবার ভোররাতে নিজ শয়ন ঘরের পিছনে পেয়ারা গাছের ডালের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেন।
পরে সকালে স্বজনরা শারমিন কে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে মৃত অবস্থায় গাছ থেকে উদ্ধার করেন। নিহত শারমিন স্থানীয় লফিত রাজিয়া ফাজিল মাদ্রাসার আলিম পরীক্ষার্থী ছিল।
এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে ওই এলাকার ইউপি সদস্য সাহের আলী জানান, শারমিন দুই বছর পূর্বে পাশ্ববর্তী রাজারহাট থানার বালাকান্দি গ্রামের আব্দুল হাকিমের পুত্র মামাত ভাই রোমান মিয়ার সঙ্গে সর্ম্পক করে বিয়ে করেন। এতে শারমিনের পরিবারের আপত্তি থাকায় বিয়ের পরেই তারা দুইজন ঢাকায় চলে যান।
এরপর তারা উভয়ে সেখানে কিছুদিন অবস্থান করার পর শারমিনকে একা রেখে রোমান সটকে পড়েন। এরপর থেকেই স্বামী রোমান মিয়া স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ রাখেন।পরে শারমিন পিতার বাড়িতে চলে আসে এবং সেখান থেকেই পড়াশুনা চালিয়ে যাচ্ছিল।
এলাকাবাসীর ধারনা, দীর্ঘদিন থেকে স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ না থাকা ও পারিবারিক ভাবে বিয়ে মেনে না নেয়ায় শারমিন আক্তার অভিমান করে আত্মহত্যা করেছেন।
এদিকে খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরির্দশন করেন। উলিপুর থানার এস আই মশিয়ার রহমান জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ না থাকায় লাশ হেফাজতে নেয়া হয়নি।
ধরনীবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম ফুলু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
