সৌদি আরবকে মার্কিন সর্বাধুনিক যুদ্ধবিমান এফ-৩৫ দিতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, কিন্তু এর মধ্যে একটি অদৃশ্য শর্ত রয়েছে। আর তা হলো- ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন করা। শুধু তাই নয়, ইরানের আগে মধ্যপ্রাচ্যে সৌদিকে পারমাণবিক শক্তি অর্জনে সহায়তারও টোপ দেওয়া হয়েছে। এসব বিষয়ে একান্তে আলোচনা করতেই সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে যুক্তরাষ্ট্রে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সফরে গেছেন যুবরাজ সালমান। গত সপ্তাহের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রী ক্রিস রাইট সৌদি আরবের সঙ্গে সিভিল পারমাণবিক শক্তি ও প্রযুক্তিতে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার বিষয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করার কথা জানিয়েছেন। রয়টার্স জানিয়েছে, সব ঠিক থাকলে হোয়াইট হাউসে ওই চুক্তি স্বাক্ষর হয়ে যেতে পারে। খবর ইয়াহু নিউজের। রয়টার্স জানিয়েছে, ওয়াশিংটন ও রিয়াদের মধ্যে পারমাণবিক সহযোগিতার বিস্তারিত তথ্য এ বছরের শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে। তবে নাম গোপন করার শর্তে আলোচনা সংশ্লিষ্ট এক ব্যক্তি রয়টার্সকে জানিয়েছেন, সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান তার সফরের সময় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি সিভিল পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তির কাঠামো স্বাক্ষর করবেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সব ঠিক থাকলে এদিনই চুক্তি স্বাক্ষর করতে পারেন।
অনুসন্ধান
- 1
- 2
- 3
- 4
- 5
