ঢাকা সোমবার ১৮ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ৩০শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
প্রচ্ছদ অপরাধ ও অনধিকার চুক্তির পর ১৯৪ বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে ইসরায়েল

চুক্তির পর ১৯৪ বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে ইসরায়েল

ছবি: সংগৃহীত

গাজায় চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৯৪ বার চুক্তি ভঙ্গ করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।

রোববার (২ নভেম্বর) এমন অভিযোগ তুলেছে ফিলিস্তিনের সরকারি মিডিয়া অফিস।

সংস্থাটির পরিচালক ইসমাইল আল-থাওয়াবতেহ আনাদোলুকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান, এসব লঙ্ঘনের মধ্যে রয়েছে তথাকথিত “হলুদ রেখা” অতিক্রম করে সামরিক অনুপ্রবেশ, গুলি ও গোলাবর্ষণ, বিমান হামলা, ধ্বংসযজ্ঞ এবং চিকিৎসা সামগ্রী, ওষুধ, তাঁবু ও মোবাইল হোম গাজায় প্রবেশে বাধা দেওয়া।

থাওয়াবতেহ বলেন, ‘চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর থেকে দখলদার বাহিনী ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে ১৯৪টি বার এটি লঙ্ঘন করেছে। আমরা আশা করেছিলাম এই চুক্তি কিছুটা স্বস্তি বয়ে আনবে, কিন্তু তা হয়নি।’ তিনি আরও জানান, তাদের অফিস এই লঙ্ঘনের বিষয়ে প্রতিদিন আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারীদের কাছে প্রতিবেদন জমা দিচ্ছে।

ইসরায়েলি বাহিনী বারবার “হলুদ রেখা” অতিক্রম করে আবাসিক এলাকায় যানবাহন পাঠাচ্ছে, বেসামরিক এলাকায় হামলা চালাচ্ছে এবং এসব হামলায় বহু মানুষ হতাহত হচ্ছে বলেও জানান তিনি। ফিলিস্তিনিদের উদ্দেশে সতর্কবার্তা দিয়ে থাওয়াবতেহ বলেন, “হলুদ রেখার” কাছাকাছি যাওয়া বিপজ্জনক, কারণ ইসরায়েল আগেও কোনো সতর্কতা ছাড়াই সেখানে বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা করেছে।

“হলুদ রেখা” বলতে বোঝানো হয়েছে সেই অঞ্চলকে, যেখান থেকে ইসরায়েলি বাহিনী যুদ্ধবিরতি চুক্তির অধীনে ১০ অক্টোবর হামলা প্রত্যাহার করেছে। এটি একটি অদৃশ্য বিভাজন রেখা, যা গাজা শহরের দক্ষিণ ও খান ইউনিসের উত্তরের মধ্য দিয়ে গাজা উপত্যকাকে দুটি অংশে ভাগ করেছে।

থাওয়াবতেহ আরও জানান, ইসরায়েল এখনো ত্রাণ কনভয়গুলোর পূর্ণ প্রবেশের অনুমতি দেয়নি এবং বিদেশে চিকিৎসার জন্য রোগীদের সরিয়ে নিতে মিশরের সঙ্গে রাফাহ ক্রসিং পুনরায় চালু করেনি। তিনি বলেন, ‘ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামের প্রবেশও বন্ধ করে দিয়েছে ইসরায়েল।’

২০২৪ সালের মে মাস থেকে ইসরায়েল রাফাহ ক্রসিংয়ের ফিলিস্তিনি অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে। তারা ভবনগুলো ধ্বংস ও আগুনে পুড়িয়ে দেয় এবং ফিলিস্তিনিদের চলাচল নিষিদ্ধ করে। মিডিয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ১০ অক্টোবর থেকে মাসের শেষ পর্যন্ত চুক্তির আওতায় অনুমোদিত ১৩,২০০ ট্রাকের মধ্যে মাত্র ৩,২০৩টি গাজায় প্রবেশ করতে পেরেছে— যা মাত্র ২৪ শতাংশ।

মিডিয়া অফিস জানায়, যুদ্ধবিরতি প্রোটোকলে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা মৃতদেহ উদ্ধারের জন্য শত শত ভারী যন্ত্রপাতি প্রবেশের অনুমতি দেয়ার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে তা বাস্তবায়িত হয়নি; কেবল ইসরায়েলি বন্দীদের মৃতদেহ উদ্ধারের জন্য সীমিত কিছু যন্ত্রপাতি প্রবেশের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

0 FacebookTwitterPinterestEmail

অনুসন্ধান

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম

ফেসবুকে আমরা

সম্পাদক ও প্রকাশক

মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান ভূঁইয়া (তুহিন)

নির্বাহী সম্পাদক

সোনিয়া রহমান

অফিসঃ

৪৯ মতিঝিল (৮ম তলা), শাপলা ভবন, শাপলা চত্বর, ঢাকা - ১০০০

ই-মেইলঃ

rightwayciezs@gmail.com

টেলিফোনঃ

+৮৮ ০১৭১২-৭৭৭ ৩৬৩

মার্কেটিংঃ

+৮৮ ০১৯৪৮- ৯০০ ৯১১

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব rightwaynews24.com কর্তৃক সংরক্ষিত