ছবিঃ সংগৃহীত
ইরান ভবিষ্যতের হুমকি মোকাবিলায় নতুন প্রতিরক্ষামূলক ও প্রতিরোধমূলক কৌশল গ্রহণ করেছে— যা জুন মাসে ইরানের ওপর চাপিয়ে দেওয়া ১২ দিনের আগ্রাসন থেকে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে গড়ে তোলা হয়েছে। সোমবার সংসদের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্র নীতি কমিশনের সদস্যদের সঙ্গে এক বৈঠকে এ তথ্য জানান ইরানের সেনাবাহিনীর প্রধান মেজর জেনারেল আমির হাতামি।
বৈঠকে আঞ্চলিক রাজনৈতিক, নিরাপত্তা ও সামরিক পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্লেষণ করা হয়। এ সময় মেজর জেনারেল হাতামি বলেন, “জুনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জায়নবাদী শাসনের দ্বারা ইরানের ওপর চাপিয়ে দেওয়া ১২ দিনের যুদ্ধ আমাদের জন্য ১২ বছরের সমান শিক্ষা দিয়েছে।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ওই সময় ইরান এক ধরনের পূর্ণাঙ্গ ‘হাইব্রিড যুদ্ধ’-এর মুখোমুখি হয়েছিল, যেখানে শত্রু উন্নত প্রযুক্তির সঙ্গে রাজনৈতিক, গণমাধ্যম, নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা কার্যক্রম মিলিয়ে একযোগে আক্রমণ চালিয়েছিল।
“এই অভিজ্ঞতা থেকে আমরা এমন নতুন কৌশল গ্রহণ করেছি, যা ভবিষ্যতে যেকোনো হুমকির মোকাবিলায় আরও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে সক্ষম করবে এবং শত্রুকে কঠোর শাস্তি দিতে সাহায্য করবে,” বলেন ইরানের সেনাপ্রধান।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান বিশ্ব ব্যবস্থার প্রভাবাধীন শক্তিধর দেশগুলোর প্রধান যুক্তি হলো বলপ্রয়োগ ও জবরদস্তির রাজনীতি। “গাজা, ইরান, সিরিয়া, লেবানন ও কাতারে শিশু হত্যাকারী শাসনের আগ্রাসনেই আমরা সেই জবরদস্তি ও শক্তির রাজনীতির বাস্তব উদাহরণ দেখেছি,” মন্তব্য করেন হাতামি।
ইরানের সেনাপ্রধান সতর্ক করে বলেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সেয়েদ আলি খামেনি যেমন বলেছেন, “এই ধরনের শক্তির রাজনীতি মোকাবিলার একমাত্র উপায় হলো নিজেকে আরও শক্তিশালী ও ক্ষমতাবান করে তোলা।”
